gbd3-এ যোগ দিলেই শুরু হয় বোনাসের যাত্রা। প্রথম ডিপোজিটে বোনাস, সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, ফ্রি বেট এবং আরও অনেক কিছু অপেক্ষা করছে।
নতুন সদস্যদের জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগ। নিবন্ধনের পরই বোনাস পাওয়া শুরু করুন।
gbd3-এ প্রথমবার ডিপোজিট করলে সেই পরিমাণের ১০০% বোনাস পাবেন। মানে ৳৫,০০০ ডিপোজিট করলে আরও ৳৫,০০০ বোনাস – মোট ৳১০,০০০ নিয়ে খেলা শুরু করতে পারবেন।
এখনই ক্লেইম করুনপ্রতি সপ্তাহে নেট লসের ১০% ক্যাশব্যাক পাবেন। ভাগ্য সেদিন সাথে না থাকলেও কিছুটা ফেরত পাবেন।
ক্লেইম করুনপ্রতি সপ্তাহে দ্বিতীয় ডিপোজিটে ৫০% বোনাস। পুরনো সদস্যদের জন্য প্রতি সপ্তাহে একবার প্রযোজ্য।
ক্লেইম করুননির্দিষ্ট পরিমাণ বেট করলে ফ্রি বেট ক্রেডিট পাবেন। জিতলে পুরো লাভ আপনার, হারলে ক্রেডিট খরচ হয়।
ক্লেইম করুনবন্ধুকে gbd3-এ নিয়ে আসুন। তাঁর প্রথম ডিপোজিটের পর আপনি ৳২০০ বোনাস পাবেন, কোনো সীমা নেই।
ক্লেইম করুন
মাত্র কয়েকটা ধাপে বোনাস ক্লেইম করুন। কোনো জটিলতা নেই।
মোবাইল নম্বর বা ইমেইল দিয়ে gbd3-এ বিনামূল্যে একাউন্ট খুলুন। মাত্র ২ মিনিটের কাজ।
bKash, Nagad বা Rocket দিয়ে ন্যূনতম ৳৫০০ ডিপোজিট করুন। টাকা সাথে সাথে যোগ হয়।
ডিপোজিটের সময় বোনাস কোড ব্যবহার করুন বা অটো-অ্যাক্টিভেশন চালু রাখুন।
বোনাস ব্যালেন্স দিয়ে বেট করুন। রোলওভার পূরণ হলে জেতা টাকা উইথড্র করুন।
gbd3-এ যত বেশি খেলবেন, তত বেশি রিওয়ার্ড পাবেন। চারটি স্তরে বোনাস বাড়তে থাকে।
অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে বোনাস নিয়ে অনেকের মধ্যেই একটা সাধারণ সংশয় থাকে – এগুলো আসলে কতটুকু কাজে আসে, নাকি শুধু কাগজে-কলমে ভালো দেখায়? gbd3-এর বোনাস কাঠামো নিয়ে এই প্রশ্নটা করা স্বাভাবিক। তাই এখানে একদম সহজ ভাষায় বলার চেষ্টা করছি।
gbd3-এ বোনাস মূলত দুই ধরনের – একটা হলো নতুন সদস্যদের জন্য, আর অন্যটা যারা নিয়মিত খেলেন তাদের জন্য। নতুনরা প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান, যা বাংলাদেশের বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে বেশ উল্লেখযোগ্য। মানে আপনি যদি ৳২,০০০ জমা দেন, তাহলে আপনার একাউন্টে আসে ৳৪,০০০। এই বোনাস ব্যবহার করে আপনি প্রথম থেকেই দ্বিগুণ মূলধন নিয়ে বেট করতে পারছেন।
বোনাস পেলেই সরাসরি উইথড্র করা যায় না। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ বেট করার পরেই সেটা তোলা সম্ভব – এটাকেই রোলওভার বলে। gbd3-এ রোলওভার রিকোয়ারমেন্ট ৫x, যেটা বাজারের তুলনায় মোটামুটি সহজ। ৳৫,০০০ বোনাস পেলে মোট ৳২৫,০০০ বেট করতে হবে রোলওভার পূরণ করতে। এটা শুনতে অনেক মনে হলেও, নিয়মিত বেটারদের জন্য সাত দিনে পূরণ করা কঠিন কিছু না।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক বোনাসটা আমার কাছে বেশি ব্যবহারিক মনে হয়। যেসব সপ্তাহে বেটিং ভালো যায় না, সেখানে ১০% ফেরত পাওয়া মানে লস কিছুটা কমানো যায়। এটা কোনো বড় সুবিধা না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে হিসাব করলে বেশ কাজে আসে।
বিশ্বকাপ, আইপিএল বা বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের মতো বড় ইভেন্টের সময় gbd3 বিশেষ বোনাস অফার করে। ঈদ বা পূজার সময়ও উৎসব বোনাস আসে। এই সময়গুলোতে রিলোড বোনাসের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ফ্রি বেটের সুযোগ বেশি থাকে। নিয়মিত ব্যবহারকারীরা নোটিফিকেশন চালু রাখলে এই অফারগুলো মিস হয় না।
রেফারেল বোনাসটাও বেশ সহজ। আপনার পরিচিত কেউ gbd3-এ যোগ দিলে এবং প্রথম ডিপোজিট করলে আপনি সরাসরি ৳২০০ পাবেন। এটা কোনো বোনাস পয়েন্ট না, সরাসরি আপনার ওয়ালেটে যোগ হয়। কতজনকে রেফার করতে পারবেন তার কোনো সীমা নেই।
বোনাসের লোভে বেশি বেট করা উচিত নয়। gbd3-এর বোনাস আপনার বেটিং অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করার জন্য, কিন্তু বোনাস পাওয়ার আশায় নিজের বাজেটের বাইরে গেলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হতে পারে। প্রতিটা বোনাসের মেয়াদ ও শর্ত ভালোভাবে পড়ে নেওয়া ভালো অভ্যাস।
ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ড – gbd3-এর লয়্যালটি প্রোগ্রামটা এমনভাবে ডিজাইন করা যে নিয়মিত খেলতে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ধীরে ধীরে উপরের স্তরে যাওয়া যায়। ডায়মন্ড স্তরে পৌঁছালে যে ১৫% ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়, সেটা দীর্ঘমেয়াদে বেশ উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তৈরি করে।
২৪/৭ লাইভ চ্যাটে আমাদের বাংলা সাপোর্ট টিম সাহায্য করতে প্রস্তুত।
ডিপোজিট নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথেই বোনাস একাউন্টে যোগ হয়। অপেক্ষার কোনো ঝামেলা নেই।
বোনাস শর্ত, রোলওভার হিসাব – সবকিছু বাংলায় বোঝা যায়। ভাষার বাধা নেই।
gbd3-এ বোনাসের শর্ত লুকানো থাকে না। প্রতিটা অফারের নিয়ম স্পষ্টভাবে লেখা থাকে।
অ্যাপ থেকেই বোনাস ক্লেইম করুন। আলাদা কোনো ওয়েবসাইটে যাওয়ার দরকার নেই।
ঈদ, পূজা, বিশ্বকাপ – বিশেষ উপলক্ষে gbd3 সবসময় বাড়তি বোনাস নিয়ে আসে।
প্রতিটা বেটে পয়েন্ট জমা হয়। পয়েন্ট দিয়ে বোনাস, ফ্রি বেট বা ক্যাশব্যাক নেওয়া যায়।
নিবন্ধন করুন, প্রথম ডিপোজিট করুন এবং ১০০% ওয়েলকাম বোনাস নিয়ে খেলা শুরু করুন।